“আমি দেখেছি যে উচ্চস্তরীয় আমলাদের এক চক্র পুলিশ নেতৃত্বকে চরম অবনতির পথে নামিয়ে নিয়ে এসেছে... যেটা রাষ্ট্র এবং তার প্রজাদের পক্ষে ক্ষতিকারক এবং আজ সেই জিনিষটার পরিণাম আমাদের সকলের সামনে রয়েছে! ভারতীয় পুলিশের ওপরে দেশের জনতার ভরসা নেই... !<br>এই সম্পূর্ণ সংশোধিত এবং পরিবর্দ্ধিত সংস্করণে আপনারা এটা জানতে পারবেন যে কি ভাবে কিরণ বেদীর বিভাগেরই কিছু সদস্য এবং বিশেষ আমলারা এক সাথে মিলে ওনার পুলিশ সংশোধনের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিলেন... যেটা ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশানুসার ক্রিয়ান্বিত করার ছিল। এই সব ব্যক্তিরা পুলিশ কমিশনারের রূপে ওনার নিযুক্তিতেও বাধার সৃষ্টি করেছিলেন !<br>এই প্রকার বিধ্বংসই সেই অন্তিম পর্যায় ছিল... যেটা ওনাকে এই সব বন্ধনের থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য করে তুলেছিল। এক সুদীর্ঘ এবং প্রশংসনীয় ইনিংস (মোট 35 বছর)-য়ের পরে কিরণ বেদী এবার সামনের দিকে এগিয়ে চলার ফয়সালা করে নিয়েছেন। ওনার এমনটা মনে হয়েছে যে এখন আর উনি এমন ব্যক্তিদের সাথে কাজ করতে পারবেন না... যাঁরা গোটা সিস্টেমটাকেই নিজেদের দাস করে তুলছিলেন। উনি দৃঢ় সংকল্প করে রেখেছিলেন যে উনি এই সব বিধ্বংসকদের অধীনে কাজ করবেন না। এমন ব্যক্তিরা অন্যদের ছোট করা তাঁদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেওয়া আর তাঁদের মনোবল ভেঙে ফেলা ছাড়া আর কি-ই বা পথ নির্দেশ করতে পারেন ? উনি এমন অবিশ্বসনীয় ইতিহাসের এক অঙ্গ হয়ে উঠতে চাননি !<br>উনি বলেছেন – “আমার আত্মসম্মান... ন্যায়ের সহজ শক্তি... জীবনে মূল্য এবং বিশ্বাস পথে আসা আর বৃদ্ধিকে আটকানো বাধাগুলোকে পার করার প্রেরণা জুগিয়েছে এবং এখন আমি এটা ঠিক করে নিয়েছি যে নিজেকে এসবের থেকে মুক্ত করে এবার আমি নিজের সময়ের মালিক নিজে হয়ে উঠব!”<br>রোমাঞ্চ জীবন্ততা এবং প্রেরণায় ভরপুর এক রোচক কাহিনী... !