আফতাব হোসেনজন্ম: ২৬ অক্টোবর ১৯৬২; জন্মস্থান: মালোয়ারনলছিটিবরিশালবাংলাদেশ।পেশায় চিকিৎসক।শৈশব ও কৈশোর কেটেছে খুলনায় খালিশপুরে। জীবনের তাগিদে ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশ থেকে দেশান্তরে।ইরান সৌদি আরব ঘুরে শেষে থিতু হয়েছিলেন ব্রিটেনে।নিয়েছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রী। বিলেতের প্রাচুর্যে ভরা নিরাপদ জীবনও তাঁকে বেঁধে রাখতে পারেনি।সব ফেলে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশে শেকড়ের টানে মাটির টানে মাটির মানুষের টানে। কথা সাহিত্যিক আফতাব হোসেন জীবনের মানুষের গল্প লেখেন। নারী পুরুষের মনের টানাপোড়ন তাঁর কলমের বৈশিষ্ট্য। পাঠকরা ভালোবেসে তাঁর নাম দিয়েছেন কথার জাদুকর।ক্যাপ্টেন রবার্ট স্মিথ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় জাপানীদের সাথে আহত হয়ে মৃতপ্রায় পড়ে থাকেন সিতং নদীর তীরে। এক ছোট্ট বার্মিজ কিশোরী মোঁ আং তাকে দেখে উদ্ধার করে। অহিংস বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী আং পরিবার আহত সেই আর্মি অফিসারটিকে যে কোন মূল্যে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলশ্রুতিতে পুরা আং পরিবার জাপানিদের হাতে নিহত হয়। শুধু বেঁচে থাকে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা ক্যাপ্টেন স্মিথ আর মোঁ আং। যুদ্ধ থেমে গেলে ক্যাপ্টেন মেয়েটিকে সাথে করে ব্রিটেনে নিয়ে আসেন। স্বজনহারা এই মেয়েটির জন্য ক্যাপ্টেন যে কোন ত্যাগ স্বীকার করে চলেন। শুধু বুঝতে পারেন না এই ত্যাগের নামই ভালোবাসা! অন্যদিকে এই ত্যাগকে মো আং মনে করে তার প্রতি দয়া। আত্মাভিমানে সেও নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে না। তাদের জীবনে হাজির হয় অনিন্দ্য সুন্দরী এলিজাবেথ রদারহাম। সেও ক্যাপ্টেন স্মিথকে শুধু নীরবেই ভালোবেসে যায়। এভাবেই এগিয়ে চলে তিনটি মানুষের অব্যক্ত ভালোবাসার এক অশ্রুতপূর্ব প্রেমের উপাখ্যান। দীর্ঘ পঁয়ষট্টি বছর লেগে যায় একে অন্যের ভালোবাসা বুঝতে। ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে...