বাল্যকাল থেকেই কবিতার প্রতি আশুতোষ শর্ম্মার বিশেষ আকর্ষণ ছিল। স্কুল-কলেজে তার ফলস্বরূপ আবৃত্তিও করেছেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তাঁর প্রেরণার উৎস। স্কুল এবং কলেজে পড়াকালীন লেখক কবিতার মাধ্যমে মনের ভাবধারা ব্যক্ত করতেন। ‘কুন্দকলি’র কবিতাগুলি প্রায় চল্লিশ বছরের আহরণ। “জল পড়ে পাতা নড়ে” লাইনটি আশুতোষ বাবুর বাল্যজীবনে প্রভাব ফেলেছিল এবং সেই অনুপাতে তার অন্তরে এক বিশেষ নাড়া দিয়েছিল। লেখক বিশ্বাস রাখেন যে তাঁর বই প্রকাশ করা সম্পূর্ণভাবে সার্থক হবে যদি পাঠকবৃন্দ ওর বইটি পড়ে কিছুমাত্র আনন্দিত প্রভাবিত হন। আশুতোষ শর্ম্মার জন্ম ১লা জানুয়ারি ১৯৪৪-এ আসামের শিলচর শহরের নিকটবর্তী বাবমুনি গ্রামে। ম্যাট্রিক পাশ করার পর ১৭ বছর বয়সে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে বায়ু সৈনিকরূপে যোগদান করেন। চাকরীতে থাকাকালীন তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্টস-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ভারতের সঙ্গে চায়না ও পাকিস্তানের তিন তিনটি বড় রকমের যুদ্ধে লেখকের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে দীর্ঘ চল্লিশ বছর কাজ করার পর লেখক অবসরপ্রাপ্ত জীবন যাপন করছেন।সুখ দুঃখ হাসি কান্না মর্মবেদন মাখানো ‘কুন্দকলি’ তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।