গর্ভবতী মা এবং গর্ভস্হ শিশুর জন্য সঠিক আহার-বিহার সহজ হয় না । এই পুস্তকে আপনাদের দুজনের জন্য শিশুর অ মাস পর্যন্ত গর্ভাবস্হার সময় আহার-বিহারের সকল তথ্য প্রদান করা হয়েছে !আপনাদের অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর যেমন :• আমি কি গর্ভাবস্হার সময় সীমিত মাত্রায় মাছ-মাংস খেতে পারি ?• আমি দুধ পান করি না... আমার জরুরী ক্যালশিয়াম কি ভাবে প্রাপ্ত হবে ? • আমি সাত সপ্তাহের গর্ভবর্তী... কিন্তু আমার ওজন বাড়ার বদলে কমে আসছে। এটা কি চিন্তার বিষয় ?• আমার আইসক্রীম খেতে খু-উ-ব ইচ্ছে করছে। আমি কি গর্ভাবস্হাতেও আইসক্রীমের মজা ওঠাতে পারি ?-আপনারা যখন গর্ভবতী হয়ে পড়েন... তখন আপনাদের সুস্হ পৌষ্টিক আর সুস্বাদু ভোজনের আবশ্যকতা হয় – যেটা প্রসবের আগে এবং পরে আবশ্যক হয়। গর্ভাবস্হার সময় আপনারা ঘরে-বাইরে অফিসে অথবা রেস্তোঁরায়... যেখানেই থাকুন না কেন সর্বদা সঠিক ভোজন বেছে নিন। এই পোষণযুক্ত আহার গর্ভবতী মা আর গর্ভস্হ শিশু – দুজনের পক্ষেই অত্যন্ত আবশ্যক হয়। গর্ভের সময় নিজের সঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য লক্ষ্যের নির্দ্ধারণ করুন। আপনাদের যদি সাজারী করে শিশুর জন্ম দিতে হয়... তাহলে আপনাদের আহার-বিহার বিশেষ প্রকারের হওয়া উচিত। এই সব কিছুর ব্যাপারে সম্পূর্ণ তথ্য এই পুস্তকে দেওয়া হয়েছে।-এছাড়া এই পুস্তকে কিছু অত্যাধুনিক তথ্যও প্রদান করা হয়েছে যেমন লো কাৰ্বস্ নিরামিষ ভোজন ক্যাফিনের পর্যাপ্ত মাত্রা পোষণযুক্ত আহার সুরক্ষিত খাদ্য পদার্থ এবং বেশী মাত্রায় খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এই পুস্তকে গর্ভাবস্হার সময় আপনাদের জন্য টিফ প্রকারের সুস্বাদু আর পোষণযুক্ত ভোজন বানানোর রেসিপীও রয়েছে। গর্ভবতীমা আর গর্ভস্হ শিশুর পক্ষে এই সব রেসিপী অত্যন্ত লাভদায়ক প্রমাণিত হবে। আপনারা এগুলো অত্যন্ত সহজে নিজেদের বাড়ীতেই বানাতে পারবেন আর পুরো পরিবারের সাথে এগুলোর মজাও ওঠাতে পারবেন।আশা করি যে আপনারা ভালো খাবেন আর সুস্থ শিশুর জন্ম দেবেন!* ডায়মণ্ড বুক্স