শুধু ভারতীয় উপমহাদেশেই নয় সম্পূর্ণ বিশ্বের মানব ইতিহাসে তিনি আরাধ্য দেবতা। সংস্কৃত ও হিন্দি ভাষা সহ অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও রামকথা রচনা করা হয়েছে। সেই সাথে নেপালি তিব্বতি কম্বোডিয়া তুর্কিস্তান ইন্দোনেশিয়া জাভা বর্মা থাইল্যান্ড মরিশাস প্রভৃতি স্থানের প্রাচীন সাহিত্যেও রামকথার উল্লেখ পাওয়া যায়। এর থেকে বোঝা যায় প্রাচীন কাল থেকেই রাম জন মানসের হৃদয় অধিকার করে বসে আছেন। শুধু তাই নয় সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে রামমন্দির শিলালিপি ও অন্যান্য প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। রামায়ণের প্রথম রচয়িতা বাল্মীকি সাতটা মহাদ্বীপের মানুষের কাছেই খুবই পরিচিত আজও তিনি সমান ভাবে সমাদৃত। রাম শুধু একটা নাম নয় বরং তা একটা জীবন দর্শন। জীবন পদ্ধতি। ভগবান শিবের শিক্ষার বিস্তার। মহান পন্ডিত দশাননকে মোক্ষ প্রদান করে রাম পুরুষের মধ্যে পুরুষোত্তম হয়ে আছেন। মোক্ষের পথ হলেন তিনি। কোনও যুগে রামের মতো আর কাউকে পাওয়া যায় না। রামায়ণের রাম কোন এক ধর্ম বা বিচার ধারার দেবতা নন বরং তিনি সারা বিশ্বের আদর্শ। ত্রেতাযুগের রামের জীবন মানবজাতির কাছে আজও প্রাসঙ্গিক। তার শিক্ষা এবং সামাজিক পরিবেশ সম্পূর্ণ মানব জাতির জন্য উল্লেখ যোগ্য। রামের জন্মভূমি অযোধ্যাতে যে রাম মন্দির স্থাপনা করা হচ্ছে ২০২৪ সালে তা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে সম্পূর্ণ বিশ্বের জন্য তা পরম সৌভাগ্যের বিষয়।