লেখক সম্পর্কিত -জয়ন্ত বড়াল ১৯৯১ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন । তার কর্মজীবন তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বহুজাতিক সংস্থায় বিপণন ও বিক্রয় ক্ষেত্রে বিস্তৃত ।কলকাতায় শিক্ষাপ্রাপ্ত ও বড় হয়ে ওঠা জয়ন্তের পেশা তাকে বিভিন্ন শহরে নিয়ে গেছে যা তার জীবনকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন পটভূমির মানুষের সাথে আলাপ আলোচনার মধ্যে দিয়ে সমৃদ্ধ করেছে । উনি কর্মক্ষেত্রে একজন নিষ্ঠাবান ও দায়িত্ববান কর্মচারী ও সহকর্মী হিসেবে পরিচিত । “সামঞ্জস্য” শব্দটি তার জীবনে একটি অতি গুরুত্বপুর্ণ শব্দ । তার বিবিধ সম্পর্ক আত্মীয় বন্ধু পরিবার সহকর্মী ইত্যাদি সকলের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলাটা তার জীবনের লক্ষ্য । পারিবারিক জীবন এবং কর্মজীবন তার নিঃস্বার্থ মনপ্রাণ সমর্পিত নিষ্ঠাশীল কর্মধারার সাক্ষী যা সদাই পারিপার্শ্বিকে অনুপ্রেরনার অনুরণন সৃষ্টি করেছে ।কবিতার প্রতি আবেগ তার শৈশব থেকেই শুরু হয়েছিল - ছয় বছর বয়সে নিজের লেখা কবিতা আবৃত্তি করার জন্য পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক এবং সাহিত্যিক ঐতিহ্য তার তরুণ মনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনাগুলি তার জন্য অনুপ্রেরণা এবং প্রেরণার ধ্রুবক উৎস হয়ে উঠেছে । রবি ঠাকুরের লেখা তার আত্মাকে লালন করেছে শরৎচন্দ্রের মহিলাদের দৃষ্টিভঙ্গির চিত্রণ তাকে গভীরভাবে অনুরণিত করেছে বঙ্কিমচন্দ্রের রচনাগুলি তার দেশপ্রেমকে প্রজ্বলিত করেছে এবং বিভূতিভূষণের গল্পগুলি তার মানবতার অনুভূতিকে রসসিক্ত করেছে । তথাপি ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষজনের সংস্পর্শে এসে তার সৃজনশীল মনন আরও সমৃদ্ধ হয়েছে । মনের পাখনা বইটিতে এরই প্রতিফলন দেখা যায় । মনের পাখনা বই সম্পর্কিত মনের পাখনা বইটিতে প্রকাশিত কবিতাগুলি লেখকের উন্মুক্ত শিশুসুলভ মনের বিবিধ গতি বিধিকে দর্শায় ৷ এই কবিতাগুলিকে প্রকৃতি প্রেম ভক্তি শারদীয় ও বিবিধ পর্যায়ে বিভক্ত করা হয়েছে ৷ তবে কবিতাগুলিকে পড়ার সময় পাঠকরা যদি পর্যায়ক্রমে বা পাতার ক্রমে না পড়েন তাহলে কবিতাগুলি সম্ভবতঃ একঘেয়ে লাগবে না এবং পাঠকরা কবিতা পড়ার মজাটা বোধ হয় আরও বেশি করে উপভোগ করতে পারবেন ৷