‘নমিতা থাপরের লেখা এই পুস্তকটিকে জীবনী শক্তির জয়গান বলা যেতে পারে। ছাত্র থেকে ব্যবসায়ী থেকে চাকরিজীবি সকলের জন্যই এই পুস্তক প্রেরণার ভাণ্ডার।<br>সঞ্জীব বিখচন্দানী সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইম্ফো এজ<br>নমিতা একদিকে ফার্মা কোম্পানি এমকিওরের এক বিশিষ্ট মাথা সেই সাথে তাঁর নিজস্ব একটা অ্যাকাডেমিও আছে। শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর ভারতের মাটিতে কিভাবে বিভিন্ন ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা আরও ভালো করে বোঝানোর জন্যই এই দ্য ডলফিন এন্ড দ্য শার্ক-এর জন্ম দিয়েছেন নিজের লেখনী শক্তির মাধ্যমে। আজকের জগতের নেতাদের (ব্যবসায়ী) জন্য শার্ক (আক্রমক নেতা) ও ডলফিনের (সহানুভূতি বজায় রাখতে পারে এমন নেতা) মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলটা কতটা জরুরি তাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি।<br>এই পুস্তককে ১৫টি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে যা বিভিন্ন ব্যবসার মন্ত্রের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে ব্যক্তিগত উন্নতির সাথে সাথে সেই সমস্ত শিল্পের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন যার থেকে তিনি নিজে প্রেরণা লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার সিজন-I এর বাস্তব চিত্র ধরা পড়েছে এই পুস্তকের প্রতিটা পৃষ্ঠায়। তাঁর মনের প্রতিটা ছবি ধরা পড়েছে এই পুস্তকের প্রতিটা পংক্তিতে তা যেমন স্পষ্ট তেমনি প্রামাণিক। প্রতিটা পাঠক যাতে নিজেদের সীমা অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে পারে তেমনি প্রেরণা প্রদান করেছে এই পুস্তক।